প্রশাসনিক ভবন ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা কেন্দ্র
দেশ-বিদেশের পণ্ডিতরা যেখানে কুমিল্লার প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতা নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, বহু আগে রাজশাহী জেলার পাহাড়পুর থেকে উদ্ধারকৃত বৌদ্ধ স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও নিদর্শনগুলো এখানকার লালমাই-ময়নামতিতে পাওয়া নিদর্শনের সঙ্গে একই ধারার ও সমসাময়িক। এ দেশের পরাক্রমশালী রাজবংশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতায় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে এই বিহারগুলো নির্মিত হয়েছিল।
সমতটের এই ধ্বংসপ্রাপ্ত সংঘারামের বহু অজানা ঘটনা ও তথ্য উদ্ঘাটনে আরও গবেষণা প্রয়োজন। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এবং জ্ঞানপিপাসু পরিব্রাজকদের আগমনে ধন্য প্রাচীন কমলাঙ্ক, আজকের কুমিল্লা, নিঃসন্দেহে সমতট রাজ্যের রাজধানী, অন্তত এর অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল। উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১১ মাইল ও পূর্ব-পশ্চিমে দেড় মাইল বিস্তৃত লালমাই-ময়নামতি পাহাড়শ্রেণিতে অসংখ্য ঢিবি, স্তূপ, মন্দির, চৈত্য ও বিহারের সন্ধান মিলেছে। সেখানে পাওয়া প্রায় ৫০টি ধ্বংসাবশেষের মধ্যে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ও পরে বাংলাদেশ সরকার অল্প কয়েকটিতেই খনন করেছে।
বাংলাদেশ বুদ্ধিষ্ট কালচারাল একাডেমীর উদ্যোগে এ অঞ্চলে একটি প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য, কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া কুমিল্লা অঞ্চলের প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে গবেষণার মাধ্যমে আবার বিশ্বের সামনে তুলে ধরা। দেশ-বিদেশের গবেষক ও পণ্ডিতরা তাঁদের কাজ ও প্রকাশনার মাধ্যমে সেই হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে এই কেন্দ্রের সহায়তা পাবেন।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করুন
এই প্রকল্পের জন্য আমরা অর্থ ও অংশীদার খুঁজছি। কীভাবে সহায়তা করতে পারেন, জানতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
আরও প্রকল্প
নব শালবন বিহার ও প্রার্থনা হল
পাশের প্রাচীন শালবন বিহারের নামে ও তার আদলে গড়া আমাদের বিহার।
প্রকল্পটি দেখুন
বিশ্ব শান্তি প্যাগোডা অনালয়ো
বাংলাদেশে থাই স্থাপত্যরীতির প্রথম ও একমাত্র মহাচৈত্য, উদ্বোধন ২০১৭ সালে।
প্রকল্পটি দেখুন
শালবন বিহার অনাথালয়
১২০টি অনাথ ও দুস্থ শিশুর খাদ্য, আশ্রয়, শিক্ষা ও পরিচর্যা।
প্রকল্পটি দেখুন